ভারতীয় বাংলা সিনেমার জনপ্রিয় অভিনেত্রী কৌশানী মুখার্জি আবারও বড় পর্দায় ফিরছেন। ‘বহুরূপী’র সাফল্যের পর প্রায় দুই বছর পর ঝিমলি চরিত্রে দেখা যাবে তাকে। নন্দিতা রায় ও শিবপ্রসাদ মুখার্জি পরিচালিত ‘বহুরূপী’র সিক্যুয়েল ‘বহুরূপী দ্য গোল্ডেন ডাকু’ দিয়ে দর্শকদের সামনে হাজির হচ্ছেন তিনি।
মঙ্গলবার (৬ অক্টোবর) ভারতের সংবাদমাধ্যম আজকালের এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
আগামী ১৫ অক্টোবর মুক্তি পাওয়ার কথা রয়েছে বহুল প্রতীক্ষিত সিনেমাটির। এরই মধ্যে সিনেমার প্রচারের অংশ হিসেবে প্রকাশিত একটি মজার ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বেশ সাড়া ফেলেছে।
ভিডিওতে একেবারে ভিন্ন অবতারে ধরা দিয়েছেন কৌশানী। ক্যাপশনে লেখা হয়েছে, ‘ছ্যাঁচড়াপুর ১ নম্বর প্ল্যাটফর্মের ঝিমলি যখন মাছওয়ালি।’ মাথায় শক্ত করে বাঁধা খোঁপা, সাধারণ শাড়ি, শ্যামলা মেকআপ এবং ডি-গ্ল্যাম লুকে তাকে দেখা গেছে একেবারে চেনা মেছুনির সাজে।
হাতে বড় বড় মাছ নিয়ে ক্রেতাদের ডাকতে দেখা যায় অভিনেত্রীকে। মাছ বিক্রির পাশাপাশি মাছ কাটতেও দেখা যায় তাকে। বঁটিতে মাছ কাটার সময় মজার ছলে কৌশানীকে বলতে শোনা যায়, ‘ম্যায় লুট গয়ি, ম্যায় বরবাদ হো গয়ি। দুটো টাকার জন্য কত কী করতে হয়! জীবনে ভাবিনি মাছওয়ালি হতে হবে।’
এ ছাড়া বাজারের হকারদের মতো গলা ছেড়ে মাছ বিক্রির হাঁক দিতেও দেখা যায় তাকে। হাতে বড় মাছ তুলে তার ডাক, ‘দুইশ দুইশ, সিলভার দুইশ, বড় মাছ, টাটকা মাছ!’—ভিডিওতে বেশ মজার আবহ তৈরি করেছে।
শুটিংয়ের ফাঁকে কৌশানীর হাসিখুশি ও রসিক মেজাজও ধরা পড়েছে ভিডিওতে। সহকর্মীদের সঙ্গে মাছের গন্ধ নিয়েও মজা করতে দেখা যায় তাকে। সব মিলিয়ে ঝিমলির নতুন এই রূপ নিয়ে দর্শকদের মধ্যে সিনেমাটি ঘিরে আগ্রহ আরও বেড়েছে।
মঙ্গলবার (৬ অক্টোবর) ভারতের সংবাদমাধ্যম আজকালের এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
আগামী ১৫ অক্টোবর মুক্তি পাওয়ার কথা রয়েছে বহুল প্রতীক্ষিত সিনেমাটির। এরই মধ্যে সিনেমার প্রচারের অংশ হিসেবে প্রকাশিত একটি মজার ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বেশ সাড়া ফেলেছে।
ভিডিওতে একেবারে ভিন্ন অবতারে ধরা দিয়েছেন কৌশানী। ক্যাপশনে লেখা হয়েছে, ‘ছ্যাঁচড়াপুর ১ নম্বর প্ল্যাটফর্মের ঝিমলি যখন মাছওয়ালি।’ মাথায় শক্ত করে বাঁধা খোঁপা, সাধারণ শাড়ি, শ্যামলা মেকআপ এবং ডি-গ্ল্যাম লুকে তাকে দেখা গেছে একেবারে চেনা মেছুনির সাজে।
হাতে বড় বড় মাছ নিয়ে ক্রেতাদের ডাকতে দেখা যায় অভিনেত্রীকে। মাছ বিক্রির পাশাপাশি মাছ কাটতেও দেখা যায় তাকে। বঁটিতে মাছ কাটার সময় মজার ছলে কৌশানীকে বলতে শোনা যায়, ‘ম্যায় লুট গয়ি, ম্যায় বরবাদ হো গয়ি। দুটো টাকার জন্য কত কী করতে হয়! জীবনে ভাবিনি মাছওয়ালি হতে হবে।’
এ ছাড়া বাজারের হকারদের মতো গলা ছেড়ে মাছ বিক্রির হাঁক দিতেও দেখা যায় তাকে। হাতে বড় মাছ তুলে তার ডাক, ‘দুইশ দুইশ, সিলভার দুইশ, বড় মাছ, টাটকা মাছ!’—ভিডিওতে বেশ মজার আবহ তৈরি করেছে।
শুটিংয়ের ফাঁকে কৌশানীর হাসিখুশি ও রসিক মেজাজও ধরা পড়েছে ভিডিওতে। সহকর্মীদের সঙ্গে মাছের গন্ধ নিয়েও মজা করতে দেখা যায় তাকে। সব মিলিয়ে ঝিমলির নতুন এই রূপ নিয়ে দর্শকদের মধ্যে সিনেমাটি ঘিরে আগ্রহ আরও বেড়েছে।
তামান্না হাবিব নিশু